কোন সেক্টরে বা কিসে ক্যারিয়ার ডেভেলঅ্যাপ করা উচিত?

সরকারী চাকরী নাকি বেসরকারী, নাকি নিজের বিজনেস? খুবই কমন একটা প্রশ্ন, আর এই ব্যাপারগুলো নিয়েই স্টুডেন্টরা বেশি কনফিউশনে থাকে। সংক্ষেপে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটা পয়েন্ট নিয়ে কিছু কথা বলবো, তবে তার আগে একটা বাস্তব ঘটনা দিয়ে শুরু করি।

ছেলেটার পড়াশুনা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে, স্টুডেন্ট লাইফেই কিছুদিন বিজনেস মার্কেটিংয়ে চাকরীও করেছে আর পাশাপাশি ইঞ্জনিয়ারিং রিলেটেড কাজ তো করেছেই।

এরমধ্যেই সে তার ফাইনাল এক্সাম দিয়ে চাকরী জীবনে প্রবেশ করার মুহুর্তে উপস্থিত হল এবং তার চাকরীর অভিজ্ঞতা এবং নিজেকে বিশ্লেষণ করে সে গভীরভাবে অনুভব করলো ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরটা আসলে তার জন্য না, সে মার্কেটিংয়ের জন্যই পারফেক্ট; এবং সে সর্বোচ্চ পরিশ্রম এবং ডেডিকেশন দিয়ে মার্কেটিং সেক্টরেই নিজেকে গড়ে তুলবে।

কিন্তু যেহেতু পড়াশুনা ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে তাই পাশ করেই হয়তো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বাইরে বা মার্কেটিং ফিল্ডে চাকরী পাওয়াটা একটু কষ্টকরই হবে।

সেজন্য বুদ্ধি করে সে ভাবলো তাহলে যদি পারি একটা ইন্টার্নশিপ অন্তত মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে করি যেটা অভিজ্ঞতা হিসেবে কাজে লাগবে ফিউচারে; অর্থাৎ যেভাবেই হোক, যত দ্রুত পছন্দের ফিল্ডে কাজ শুরু করা যায় ততই ভালো।

ফাইনালি একটা কোম্পানীতে সে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পায় এবং ডেডিকেটেড হয়ে কাজ করতে থাকে। এতে কোম্পানীর লোকজনও তার উপর সন্তুষ্ট এবং ওর দক্ষতা এবং কাজ শেখার সুযোগও বাড়তেই থাকে দিনে দিনে।

এরমধ্যেই একদিন ওর পরিচিত একজনের সাথে দেখা হয় যিনি নিজেও একটি প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টেই কাজ করছে এবং বেশ সিনিয়রও বটে।

কথায় কথায় যখন শুনলো ছেলেটা ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে মুভ করেছে তখন খুবই অবজ্ঞাভরা মুখভঙ্গী নিয়ে বললো, “এটা কী করলা তুমি, ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে আসলা! ক্যারিয়ার তো ওখানেই, এইযে আমরা কাজ করতেছি, এখন ভাবি কি করলাম। সব বড় বড় কোম্পানীর বড় পদে টপ লেভেলে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মানুষ। নাহ এটা ভালো করোনি, সিদ্ধান্তটা ভুল হয়েছে”।

ছেলেটা রীতিমতো একটা ধাক্কা খায় এবং তার চিন্তাভাবনায় নতুন করে হতাশা ও কনফিউশন তৈরী হতে শুরু করে। ঠিক এই জায়গাটা থেকেই আমাদের বড় একটা সমস্যার শুরু হয়।

ছেলেমেয়েরা নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী খুব ডেডিকেশন নিয়ে কিছু একটা শুরু করতে গেলেই এধরনের জ্ঞান দেয়া লোকজন চলে আসে যেটা তাদেরকে আরো কনফিউশনে ফেলে দেয় এবং হতাশার তৈরী হয়।

যেহেতু তাদের অভিজ্ঞতা নেই তাই অভিজ্ঞ কেউ কিছু বললে সেটা তাদের মনে এবং চিন্তায় ভালোরকম প্রভাব ফেলে। ওরা ভাবে এত অভিজ্ঞ কেউ হয়তো ভুল কিছু বলবেনা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে অনেক অভিজ্ঞদের মধ্যেও অনেক নেগেটিভ, স্বল্পজ্ঞান এবং ভুল চিন্তার মানুষ থাকে।

এই ধরনের অভিজ্ঞ লোকগুলোর সমস্যা হচ্ছে এরা নিজে যেটা জানে, বুঝে বা উপলব্ধি করে সেটাই একমাত্র সঠিক বলে মনে করে এবং নিজের মত করেই সবকিছু বিশ্লেষণ করতে ও মতামত দিতে পছন্দ করে।

সবার বৈশিষ্ট্য, পছন্দ ও যোগ্যতা এক সমান না। উনি মার্কেটিংয়ে পড়াশুবা করেও এই ফিল্ডে ভালো করতে পারেনি দেখেই যে এই ছেলেটাও ভালো করতে পারবেনা এমন কোন কথা নেই। আবার আরেকজন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ে কোম্পানীর মালিক হয়ে গিয়েছে দেখেই সবাই যে পারবে তেমনটাও না।

আর ছেলেটা যেহেতু অলরেডি কয়েকটা ফিল্ডে কাজ করে এবং পড়াশুনা করেও নিজেই উপলব্ধি করেছে যে সে মার্কেটিংয়ে ভালো করবে, সেহেতু এরপর আর নতুন করে তাকে জ্ঞান দেয়া বা হতাশ করাটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং অমানবিক।

যার যার ভালো লাগার জায়গা আলাদা। তাই একজনকে মাপাকাঠি হিসেবে ধরে আরেকজনকে বিচার করা বা সিদ্ধান্ত দেয়ার কোন সুযোগ নেই।

ক্যারিয়ার সিলেকশনের ক্ষেত্রে আমি মূলত ফোকাস দিতে বলবো চারটি P এর প্রতি।

  1. Passion and Peace
  2. Primary Personality
  3. Possibility of Progress
  4. Practical Planning

Passion and Peace:

এক কথায় বলবো নিজের যেটা ভালোলাগা ও ভালোবাসা সেটাই বেছে নেয়া উচিত।

অনেকেই অনেক কিছু বলবে, এটা ভালো না সেটা ভালো, এটা না ওটা খারাপ। আবার একজন যেটা ভালো বলবে আরেকজনের কাছে সেটা খারাপ। তাই এভাবে কোন কূলকিনারা করা যাবে না।

কারন ওই ভদ্রলোকের কথামত যদি ধরি ইঞ্জিনিয়ারিংয়েই সব তাহলে এড-ফার্ম বা এজেন্সিতে গেলে দেখা যাবে সেখানে ক্রিয়েটিভ লোকজন ছাড়া পাত্তাই নেই।

যেহেতু প্রোডাকশন বেইজড কোম্পানীতে মেশিনারিজ বেশি তাই ইঞ্জিনিয়ার ভাবলো সেই সব, তখনই ফিন্যান্সের একজন বলবে, “আমরা ফান্ড না দিলে তোরা কে?”, আবার সেলস বলবে, ” তোরা যতই প্রোডাকশন করিস, আমরা সেল না করলে টাকা আসবে না”, তখন হয়তো এইচআর এসে বলবে, “তোরা সবাই যত লাফালাফি করিস না কেন, তোদের প্রত্যেককে রিক্রুটমেন্টের কাজটাই কিন্তু আমার করা, আমরা না থাকলে তোরা আসতেই পারতি না”।

কী যন্ত্রনা তাইনা? আসলে কে বেস্ট? আর কে সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট?

সবাই! একদম সবাই যার যার জায়গার জন্য ইম্পর্ট্যান্ট!

এতো গেলো প্রতিষ্ঠানের ভিতরের কথা। ব্যক্তিগতভাবে যদি আপনি চিন্তা করেন, সরকারী চাকরী, বেসরকারী চাকরী, নাকি নিজের বিজনেস? শান্তি কোথায়?

যন্ত্রনা এখানেও আছে!

শুরুটা যদি করি বর্তমান সময়ের সবেচেয়ে আলোচিত “বিসিএস” দিয়ে। সত্যিই অনেক আরাম, সম্মান, ক্ষমতা, জব সিকিউরিটি সবই আছে। কিন্তু টাকার কথা ভাবলে?

একজন বিসিএস ক্যাডারের বেতন কয় টাকা? যদি চিন্তা করেন সৎভাবেই ইনকাম করবেন এবং ক্ষমতা, সম্মান এসব আপেক্ষিক বিষয়গুলো একপাশে রেখে হিসাব মিলান তাহলে যেই বেতন তাতে খুব বেশি কিছু করা সম্ভব না এই বাজারে!

আর শান্তিও যে সব সময় সবার জন্য অনেক বেশি তাও না। সবাই শুধু সরকারী অফিসের অনেক ছুটি এটাই জানি, কিন্তু অনেকে ঈদেও বাড়িতে যেতে পারেনা এমনও হয়।

টাকার কথা চিন্তা করলে প্রাইভেট জব অবশ্যই সরকারীর চেয়ে এগিয়ে। কারন শুরুটা কমে হলেও লেগে থাকলে আর ইফোর্ট দিলে একটা সময় ইনকাম অনেক বাড়বে যেটা অবশ্যই সরকারী চাকরীর চেয়ে বেশি, আর সরকারীতে যতই ইফোর্ট দেন বেতন সেই সীমার মধ্যেই থাকবে।

সরকারীতে জব সিকিউরিটি আছে, ত্রিশ বছর একটা ফিক্সড এমাউন্ট মাসে মাসে পাওয়ার। কিন্তু কেউ যদি বেসরকারী চাকরী বা ব্যাংকে কাজ করে তারচেয়ে পাচগুন বা দশগুণ টাকা কামাই করে বিশ বছর, এরপর উনার জব না থাকলেই কী? কয়েক মাস বসে খেয়েও আরেক জায়গায় ততদিনে জব হয়েই যাবে।

থাকবেও নিজের ফ্যামিলীর সাথে, পোস্টিং এর ঝামেলা নাই, দিনশেষে ঘরে ফেরার সুযোগ!

কিন্তু এত যে টাকা সেটাও এমনিই না। সরকারী চাকরীর তুলনায় বেসরকারী চাকরীর পরিশ্রম, খারাপ পারফরম্যান্স হলে চাকরীর অনিশ্চয়তা – এসব তো খুবই সাধারন ব্যাপার। সর্বোপরি বেসরকারী চাকরীতে লাখ টাকা দেয় ঠিকই কিন্তু সেটা কোম্পানীকে কোটি টাকার কাজ করে দেয়ার বিনিময়েই।

তো এখন ভালো কোনটা তাহলে! দুইদিকেই একটা না একটা সমস্যা থেকেই যাচ্ছে।

এসব বিবেচনায় বলতে গেলে নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যাবসাতেই তো সবচেয়ে শান্তি, অফুরান স্বাধীনতা, উন্নতি করতে পারলে টাকাও অফুরন্ত।

জ্বী না! এতটাও না।

যার বিজনেস সে বুঝে টেনশনটা কোন লেভেলের। সবসময় অনিশ্চয়তা আর ঝুকির মধ্যেই থাকা লাগে। আপনি আমি লাখ টাকা বেতন নিয়ে ঠিকই ঈদ করতে যাই, মালিক তখন কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে থাকে।

আমরা দেখি মালিক দশটা পর্যন্ত ঘুমিয়ে বারটায় অফিসে আসে, না আসলেও বলার কেউ নাই। কিন্তু রাতে আমরা যখন ঘুমাই উনি তখন দুইটা পর্যন্ত জেগে কাজ করে। অফিস থেকে বের হলে আমরা নিশ্চিত কিন্তু উদ্যোক্তা ২৪ ঘন্টাই এসব নিয়ে ভাবনায় থাকে!

পরিশেষে এটাই দাঁড়ায় যে শতভাগ এবং চূড়ান্ত শান্তির বলতে কিছুই নাই। ভালোমন্দ সব পেশাতেই আছে। তাই শতভাগ যেহেতু কোনটাতেই পাবেন না, সেক্ষেত্রে অন্তত নিজের যেটা ভালোবাসা বা প্যাশনের জায়গা সেটাই ধরে রাখেন!

কষ্ট যেহেতু সবকিছুতেই আছে তাই প্যাশনের কাজটা করলে অন্তত কষ্টটাও উপভোগ করে করা যাবে! আর দিনশেষে নিজের শান্তি এবং মানসিক প্রফুল্লতা থাকাটা জরুরী

তাই নিজের ভালোলাগা এবং যেই কাজটা উপভোগ করে করা যাবে, মানসিকভাবে অন্তত অশান্তি বা বিপর্যস্ত অবস্থায় থাকা লাগবে না – সেটা করাই ভালো।

Primary Personality:

আমাদের সবারই জন্মগত বা ব্যক্তিক কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। কেউ হয়তো খুব ইন্ট্রোভার্ট, কেউ এক্সট্রোভার্ট, কেউ ভালো লিখতে পারে, কেউ বলতে পারে, কেউ পারে গাইতে, কেউ একটু সৃজনশীল, কেউ আবার টেকনোলজির দিকে ঝোঁক!

এরকম যার যেক্ষেত্রে ঝোক না বা যার মধ্যে যেই গুণটা স্বভাবগত বা জন্মগতভাবে ভালো আছে সেটা অবশ্যই মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা উচিত।

এর বাইরে যাও অসম্ভব না। তবে সেক্ষেত্রে যেই চ্যালেঞ্জটা থাকে সেটা একটু বেশি হয়!

আপনি হয়তো প্রচন্ডভাবে প্যাশনেট ক্রিকেট খেলার ব্যাপারে কিন্তু আপনার হাত নাড়াতেই পারেন না জন্ম থেকেই, সেক্ষেত্রে আপনার প্যাশন যতই থাক দৈহিক কাঠামোর জন্য কিন্তু এটা সম্ভব না।

একইভাবে আপনি চান দেশ সেরা গায়ক হবেন কিন্তু আপনার গলার স্বর ভাঙা এবং জোরে কথাও বলতে পারেননা জন্মগতভাবেই। সেক্ষেত্রেও একই অবস্থা!

কেউ হয়তো মানুষে সাথে খুব বেশি মিশতে পারে, বুঝাতে পারে- সে পাবলিক রিলেশন বা মার্কেটিংয়ে যতটা সহযে উন্নতি করতে পারবে সেই তুলনায় যে কথাই বলতে পারে না বা চায়না – সে অবশ্যই এত সহজে এই সেক্টরে উন্নতি করতে পারবে না এটাই স্বাভাবিক।

Possibility of Progress:

ক্যারিয়ার এ অবশ্যই উপরে ওঠা বা উন্নতির সুযোগ ও সম্ভাবনা থাকতে হবে; এবং সেটার ধারাবাহিকতা থাকা জরুরী।

আপনি দেখলেন এক বড় ভাই আছে যে আপনাকে অনেক ভালোবাসে তাই উনার সাথে বিভিন্ন সফরে থাকলে এবং জিনিসপত্র বহন করলেই উনি লাখ টাকা বেতন দেয় আপনাকে।

এতে সাময়িক ইনকাম হলেও এতে কিন্তু আপনার ক্যারিয়ার দাড়াচ্ছে না। আপনি কিছু শিখছেন না। আর এই বড় ভাই মানেই আপনার ক্যারিয়ার না। উনি সবসময় এভাবে থাকবে তাওনা।

Practical Planning:

ফাইনালি সবকিছুই বাস্তবতার ভিত্তিতে করতে হবে। আপনার স্বপ্ন আপনি বিজনেস করবেন এবং সবার চেয়ে আলাদা, সেটা হচ্ছে মানুষ কপি করার, অর্থাৎ একজন মানুষ দিয়ে গেলে আপনি তেমন দুইজন বানিয়ে সাপ্লাই দিবেন।

আপনি নিজেও জানেন এটা অসম্ভব এবং হওয়ার সম্ভাবনাও নাই। তাই এই স্বপ্ন নিয়ে বসে থাকলে না খেয়ে থাকতেই হবে!

আবার আপনার পরিবারের এমন অবস্থা কোনমতে পড়াশুনা করাচ্ছে তাও ধারদেনা করে, একবেলা খেয়ে- আরেক বেলা না খেয়ে। এই অবস্থায় আপনি যদি প্ল্যান করেন পড়াশুনা শেষ করে আরো পাচ বছর বসে থেকে বাড়ির টাকা নিয়ে গবেষণা করবেন; তাহলেও সেটাও হবে অমূলক এবং অবাস্তব সিদ্ধান্ত। আপনার যেটা করতে হবে, যত দ্রুত সম্ভব পারলে স্টুডেন্ট লাইফ থেকেই কিছু আয় রোজগার করে পরিবারকে সাপোর্ট দেয়া!

==================================

মোটামুটি এই চারটি পয়েন্ট মাথায় রেখেই ক্যারিয়ার সিলেক্ট করা উচিত। কিন্তু তারপরেও হয়তো চারটাই একসাথে নাও মিলতে পারে।

এখানেই হচ্ছে নিজের চাতুরতা, বুদ্ধিমত্তা ও বিবেচনার খেলা। কোন পয়েন্টটাতে কতটুকু শক্ত থাকতে হবে আর কোনটার ক্ষেত্রে একটু স্যাক্রিফাইস করতে হবে সেটা যার যার নিজের অবস্থান থেকে পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সর্বোপরি কিছু ঠিক রেখে, কিছু স্যাক্রিফাইস করে এভাবে কমবেশি মিলিয়ে ব্যালেন্স করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে!

সবার জন্য আন্তরিক শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।

সেই সাথে আমার জুনিয়রদের যার যখন এসব রিলেটেড যেকোন সাজেশন বা পরামর্শের প্রয়োজন আমার সাথে কথা বলতে পারো। নিজের স্বল্প জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা থেকে সময় সুযোগ বুঝে সাধ্যমত পাশে থাকার চেষ্টা করবো ইন শা আল্লাহ!

Rebel Monwar
আরও পড়ুনঃ মিডল ক্লাস মেয়ের জীবন যুদ্ধ
 
Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.