আবরার হত্যার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সরিয়ে ফেলার অভিযোগ!

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যার সময়কার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ গায়েব করার প্রতিবাদে প্রভোস্ট কার্যালয় ঘিরে রেখেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে, রাত ২টা ৬ মিনিটের পর আর কোন ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে না। ওই ফুটেজ পেলে হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। এছাড়া একাধিক শিক্ষার্থী মোবাইলে ভিডিও করার কথা শোনা গেলেও তা এখনো পাওয়া যায়নি।

এদিকে ফাহাদকে হত্যার বিচার দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। যার অংশ হিসেবে সোমবার দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বুয়েট অভিমূখে বিক্ষোভ করবে শিক্ষার্থীরা।

কিন্তু সিসিক্যামেরার ফুটেজ সরিয়ে ফেলা সম্পর্কে ভিন্ন মন্তব্য করেছেন ডিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কিশ্নপদ রায়। কিশ্নপদ বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যারা মৃতদেহ নামিয়েছে এবং যারা ফাহাদকে ডেকে নিয়ে গেছে তাদের ফুটেজ পুলিশ খতিয়ে দেখছে বলে জানান তিনি।

কিশ্নপদ রায় বলেন, এই ঘটনায় যে-ই জড়িত থাকুক, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হত্যাকান্দের ঘটনায় বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল ও সহ সভাপতি ফুয়াদকে আটক করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, রোববার রাত তিনটার দিকে বুয়েট’র শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয়তলা থেকে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করে কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, রোববার রাত আটটার দিকে একদল ছাত্র আবরারকে তার রুম থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে রাত দুইটার দিকে শেরে বাংলা হলের প্রথমতলা ও দ্বিতীয়তলার মাঝামাঝি জায়গায় ফাহাদের মরদেহ দেখতে পায় অন্য শিক্ষার্থীরা। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষার্থীদের ধারণা ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ
Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.